দেড় বছরে
বাংলাদেশের প্রথম পরিকল্পিত কমিউনিটিভিত্তিক এগ্রো ট্যুরিজম প্রজেক্টের প্রতিষ্ঠাতা
জোবায়ের ইসলাম
বাংলাদেশের এগ্রো ট্যুরিজম আন্দোলনের পথপ্রদর্শক
ঊনিশ বছরের ঢাকার জীবন ছেড়ে বগুড়ার প্রত্যন্ত গ্রামে ফিরে গড়ে তুলেছি 'সুখের খামার' — যেখানে কৃষি রূপ নিয়েছে অভিজ্ঞতায়, আর একটি গ্রাম হয়ে উঠেছে হাজারো মানুষের গন্তব্য। আমার স্বপ্ন, বাংলাদেশের ৬৪ জেলার প্রতিটি গ্রাম হয়ে উঠুক একেকটি গন্তব্য।
জোবায়ের ইসলাম
এগ্রো ট্যুরিজম পথপ্রদর্শক
প্রমাণ
দেড় বছরে বদলে যাওয়া একটি গ্রামের গল্প
অতিথি, মাটির কটেজে রাত্রিযাপন, বিদেশি ভিজিটর আর গ্রামীণ অর্থনীতির নতুন প্রবাহ—সব মিলিয়ে সুখের খামার এখন শেখার, দেখার এবং অনুপ্রেরণা নেওয়ার বাস্তব মডেল।
ছবিতে সুখের খামার দেখুন
মাটির কটেজে
সুখের খামারে
গ্রামীণ সম্ভাবনায়
প্রতিটি সংখ্যার পেছনে আছে একটি গ্রাম বদলে যাওয়ার গল্প।
মিডিয়া স্বীকৃতি
গণমাধ্যমে সুখের খামার
প্রথম আলো, কালের কণ্ঠ, বাংলাদেশ প্রতিদিন এবং চলতি ইউটিউব চ্যানেলে সুখের খামারের গল্প উঠে এসেছে।
আমার সম্পর্কে
শহর ছেড়ে মাটির টানে
আমি জোবায়ের ইসলাম। দীর্ঘ ঊনিশ বছর ঢাকায় কাটিয়েছি — সাজানো ক্যারিয়ার, নিশ্চিত আয়। কিন্তু ভেতরে একটা শূন্যতা কাজ করত; মনে হতো সোনার খাঁচায় বন্দি এক পাখি।
আমার পুরো গল্পটা পড়ুন২০২৪ সালে সব ছেড়ে ফিরে আসি বগুড়ার কাহালুর বাগাইল গ্রামে। শুরু করি একটা জরাজীর্ণ মাটির বাড়ি আর একটা স্বপ্ন নিয়ে। আজ সেই স্বপ্নের নাম 'সুখের খামার' — ৩০ বিঘার ওপর বাংলাদেশের প্রথম পরিকল্পিত, কমিউনিটিভিত্তিক এগ্রো ট্যুরিজম প্রজেক্ট, যেখানে ৪০ জনের একটি দল কাজ করছে।
আমি বিশ্বাস করি — গ্রাম পিছিয়ে নেই, গ্রামকে পিছিয়ে রাখা হয়েছে। আমার জীবনের মিশন একটাই: বাংলাদেশের ৯০ হাজার গ্রামের শিক্ষিত তরুণদের দেখিয়ে দেওয়া, চাকরির জন্য শহরে যাওয়ার দরকার নেই — নিজের গ্রামের মাটিতেই আছে অফুরন্ত সুযোগ।
আন্দোলন
এগ্রো ট্যুরিজম — গ্রামই গন্তব্য
এগ্রো ট্যুরিজম হলো কৃষি ও পর্যটনের মেলবন্ধন — যেখানে শহরের মানুষ গ্রামে এসে থাকে, নিজের হাতে সবজি তোলে, মাছ ধরে, মাঠ থেকে সরাসরি পাতে ওঠা খাবার খায়। বিশ্বজুড়ে এই খাতের বাজার এখন ৮১ বিলিয়ন ডলারের বেশি, বাড়ছে বছরে প্রায় ১১ শতাংশ হারে। অথচ বাংলাদেশ এই সম্ভাবনাকে এখনো ছুঁয়েই দেখেনি। আমি সেই শূন্যতা পূরণের কাজটাই করছি।
শিখুন
অনলাইন ও অফলাইন প্রশিক্ষণ, বই আর নিয়মিত লেখার মাধ্যমে শিখুন কীভাবে নিজের গ্রামে এগ্রো ট্যুরিজম শুরু করবেন।
প্রশিক্ষণের খোঁজ নিনদেখুন
সুখের খামারে এসে নিজের চোখে দেখুন একটি চালু এগ্রো ট্যুরিজম প্রজেক্ট কীভাবে কাজ করে — এটি একটি জীবন্ত পাঠশালা।
ভিজিটের পরিকল্পনা করুনশুরু করুন
নিজের বাড়ির একটি ঘর দিয়েই শুরু হতে পারে আপনার এগ্রো ট্যুরিজম যাত্রা। আমি পেরেছি, আপনিও পারবেন।
পরামর্শ নিনপ্রজেক্ট
সুখের খামার এগ্রো ভিলেজ
বগুড়ার কাহালুর বাগাইল গ্রামে ৩০ বিঘাজুড়ে গড়ে ওঠা বাংলাদেশের প্রথম পরিকল্পিত কমিউনিটিভিত্তিক এগ্রো ট্যুরিজম প্রজেক্ট।
এখানে আছে মাটির কটেজে রাত্রিযাপন, Farm to Dining, মাছ ধরা, সবজি তোলা, গরুর দুধ দোহন, বাউল সন্ধ্যা — আর মাত্র ১০ কিলোমিটারের মধ্যে মহাস্থানগড়সহ ১০টি ঐতিহাসিক স্থান।
অতিথিদের কথা
অতিথিরা যা বলেন
"এই স্মৃতি আমি সারাজীবন মনে রাখব। নিজের হাতে গরুর দুধ দোহন করার অভিজ্ঞতা কোনোদিন ভুলব না।"
শিউলি আপা ঢাকা থেকে আসা অতিথি"আমার ছেলে এতদিন মোবাইল ছাড়া এক মুহূর্ত থাকতে পারত না। এখানে সারাটা বিকেল একবারও মোবাইল চায়নি।"
একজন অভিভাবক সুখের খামারের অতিথিআরও অতিথির অভিজ্ঞতা শিগগিরই যোগ করা হবে।
নতুন গল্প আসছে Guest Storyইবুক
শীঘ্রই এই সেকশনে ইবুক আসছে
কৃষি উদ্যোক্তা, এগ্রো ট্যুরিজম, গ্রামীণ ব্যবসা আর সুখের খামারের বাস্তব অভিজ্ঞতা নিয়ে সহজ ভাষায় ইবুক প্রকাশের প্রস্তুতি চলছে।
লেখালেখি
আমার লেখা ও ভাবনা
এগ্রো ট্যুরিজম, গ্রামীণ উদ্যোক্তা এবং সুখের খামারের অভিজ্ঞতা নিয়ে নিয়মিত লেখা।
গ্রাম কেন বাংলাদেশের পরবর্তী গন্তব্য
শহরমুখী তরুণদের জন্য গ্রামীণ উদ্যোক্তা সম্ভাবনার সংক্ষিপ্ত ভাবনা।
পড়ুনএকটি ঘর দিয়েই শুরু হতে পারে এগ্রো ট্যুরিজম
ছোট শুরু, স্থানীয় অভিজ্ঞতা এবং অতিথি ব্যবস্থাপনার মৌলিক ধারণা।
পড়ুনসুখের খামারের প্রথম দেড় বছর
অতিথি, রাত্রিযাপন এবং গ্রামের নতুন অর্থনীতির গল্প।
পড়ুনএগ্রো ট্যুরিজম শুধু একটি ব্যবসা নয়; এটি গ্রামের মানুষ, অতিথি, খাদ্য, সংস্কৃতি আর অর্থনীতিকে একসাথে জাগিয়ে তোলার পথ।
বক্তা ও প্রশিক্ষক
আমন্ত্রণ জানান
এগ্রো ট্যুরিজম, গ্রামীণ উদ্যোক্তা উন্নয়ন ও কৃষিভিত্তিক ব্যবসা নিয়ে সেমিনার, কর্মশালা, বিশ্ববিদ্যালয় ও কর্পোরেট আয়োজনে বক্তব্য এবং প্রশিক্ষণ দিয়ে থাকি। আপনার প্রতিষ্ঠানে আমাকে আমন্ত্রণ জানাতে যোগাযোগ করুন।
টিম
যাঁর সাথে এই স্বপ্ন গড়ছি
তাসদীখ হাবীব
সহ-প্রতিষ্ঠাতা — ব্র্যান্ডিং, মার্কেটিং ও বিজনেস ডেভেলপমেন্ট
সুখের খামারের ব্র্যান্ড কৌশল, বিপণন ও ব্যবসায়িক সম্প্রসারণের নেতৃত্বে আছেন। 'এগ্রো ট্যুরিজম — গ্রামই গন্তব্য' বইয়ের সহ-লেখক।
জোবায়ের ইসলাম
সুখের খামার এগ্রো ভিলেজের প্রতিষ্ঠাতা এবং বাংলাদেশের এগ্রো ট্যুরিজম আন্দোলনের পথপ্রদর্শক।
যোগাযোগ
প্রশিক্ষণ, ভিজিট, বক্তা-আমন্ত্রণ বা ইবুক সম্পর্কে জানতে যোগাযোগ করুন
এগ্রো ট্যুরিজম শিখতে, সুখের খামার ভিজিট করতে, বক্তব্য/প্রশিক্ষণের আমন্ত্রণ জানাতে অথবা ইবুক নিয়ে জানতে সরাসরি যোগাযোগ করুন।